প্রার্থীর পরিচয়
ব্যারিস্টার মির আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) — গল্প, যাত্রা এবং সংগ্রামের প্রতীক
ব্যারিস্টার মির আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) একজন ব্যারিস্টার ও মানবাধিকারকর্মী। তিনি ইংল্যান্ড ও ওয়েলসের ব্যারিস্টার, লিংকনস ইন থেকে বার-এট-ল (২০০৭) সম্পন্ন করেছেন এবং ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) অর্জন করেছেন। তিনি মানবাধিকার, ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের পক্ষে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন।
দীর্ঘ আট বছরের গোপন আটকাবস্থার কঠিন অভিজ্ঞতা তাঁকে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আরও দৃঢ় করেছে এবং মানুষের অধিকার রক্ষায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ করেছে। ২০২৪ সালে মুক্তির পর তিনি আবারও সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ শুরু করেন।
আগস্ট ৬, ২০২৪ মীর আহমদ মুক্তি পেয়ে পরিবারের কাছে ফিরে আসেন। ফি আমানিল্লাহ
আরো জানতে ভিজিট করুন: https://www.barristerarman.com/bn
কেন ব্যারিস্টার আরমানকে ভোট দেবেন?
কারণ ঢাকা-১৪ আর পরীক্ষানিরীক্ষার জায়গা নয় — এখানে দরকার যোগ্য, সাহসী ও সৎ নেতৃত্ব
ঢাকা-১৪ এমন একটি এলাকা, যেখানে সমস্যার তালিকা দীর্ঘ কিন্তু সমাধানের উদ্যোগ কম। এই জায়গায় দরকার এমন একজন নেতা, যিনি কথা নয়—কাজে বিশ্বাস করেন; প্রতিশ্রুতি নয়—পরিকল্পনা নিয়ে এগোন। ব্যারিস্টার আরমান ঠিক সেই নেতৃত্বের প্রতীক।

১. আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ও পেশাগত যোগ্যতা
লিংকনস ইন (যুক্তরাজ্য) থেকে বার-এট-ল, ইউনিভার্সিটি অব লন্ডন থেকে এলএলবি (অনার্স) — তাঁর শিক্ষা কেবল সার্টিফিকেট নয়, এটি সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা। তিনি আইন, নীতি ও প্রশাসন—তিনটিই বোঝেন।
২. সাহসী ও আপসহীন অবস্থান
অন্যায়ের সামনে নীরব থাকা তাঁর স্বভাব নয়। ব্যক্তিগত জীবনে ভয়াবহ নির্যাতন ও অবিচারের শিকার হয়েও তিনি ন্যায় ও সত্যের পথ ছাড়েননি। এই সাহসই তাঁকে অন্যদের থেকে আলাদা করে।
৩. মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের প্রতিশ্রুত কণ্ঠ
তিনি কেবল আইনের ছাত্র নন—তিনি নিপীড়িত মানুষের কণ্ঠস্বর। যাদের কথা কেউ শোনে না, তাদের পক্ষে দাঁড়ানোর অভ্যাসই তাঁকে প্রকৃত জননেতায় পরিণত করেছে।
৪. তরুণদের নেতা, ভবিষ্যতের নেতা
তরুণদের শিক্ষা, স্কিল ও কর্মসংস্থানের জন্য তাঁর সুস্পষ্ট পরিকল্পনা আছে। তিনি বিশ্বাস করেন, যুবকরাই পরিবর্তনের সবচেয়ে বড় শক্তি।
৫. আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর দৃষ্টিভঙ্গি
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, স্মার্ট সলিউশন, ডেটাভিত্তিক পরিকল্পনা—তিনি রাজনীতিকে ১৯৯০-এর দশকে আটকে রাখতে চান না। তিনি ঢাকা-১৪ কে ভবিষ্যতের শহরে রূপ দিতে চান।
৬. শতভাগ স্বচ্ছতা ও আমানতদারিতা
রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতার সিঁড়ি নয়, আমানত। আপনার ভোট তাঁর কাছে ইবাদতের দায়িত্ব। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন—এক টাকাও দুর্নীতিতে যাবে না, এক মিনিটও অপচয় হবে না।
৭. স্থানীয় সমস্যার বাস্তব জ্ঞান
জলাবদ্ধতা, যানজট, কিশোর গ্যাং, মাদক, বেকারত্ব—তিনি সমস্যাগুলো কাগজে নয়, রাস্তায় নেমে দেখেছেন। তাই তাঁর সমাধানও বাস্তব, কার্যকর ও সময়োপযোগী।
ব্যারিস্টার আরমান মানে — মেধা + সাহস + সততা + আধুনিকতা + মানবিকতা
আপনি যদি চান নিরাপদ এলাকা, সম্মানজনক সেবা, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং একটি পরিকল্পিত ঢাকা-১৪ — তাহলে আপনার পছন্দ একটাই হওয়া উচিত: ব্যারিস্টার আরমান।
ভিশন (Vision)
একটি ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও সমৃদ্ধ ঢাকা-১৪ — যেখানে মানুষ আগে, ক্ষমতা পরে
আমি এমন একটি ঢাকা-১৪ কল্পনা করি, যেখানে রাজনীতি মানুষের সেবা করবে, মানুষ রাজনীতির শিকার হবে না। যেখানে আইন হবে দুর্বলের ঢাল, শক্তিশালীর হাতিয়ার নয়। যেখানে প্রতিটি নাগরিক সম্মানের সাথে বাঁচবে, নিরাপত্তার সাথে চলবে এবং আশার সাথে ভবিষ্যতের দিকে তাকাবে।
আমার ভিশন কাগজের পরিকল্পনা নয়—এটি বাস্তব জীবনের স্বপ্ন, যা আমি আপনাদের সাথে নিয়ে বাস্তবায়ন করতে চাই।
আমার ঢাকা-১৪ হবে—
- নিরাপদ: যেখানে কিশোর গ্যাং, মাদক, চাঁদাবাজি থাকবে না; থাকবে শান্তি ও শৃঙ্খলা
- ন্যায়ভিত্তিক: যেখানে ধনী-গরিব, শক্ত-দুর্বল—সবার জন্য আইন হবে সমান
- সম্মানজনক: যেখানে সেবা নিতে গিয়ে কাউকে অপমানিত হতে হবে না
- সুযোগসমৃদ্ধ: যেখানে তরুণরা কাজ পাবে, স্বপ্ন হারাবে না
- মানবিক: যেখানে প্রতিবেশী প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়াবে, রাষ্ট্র নাগরিকের পাশে থাকবে
আমি বিশ্বাস করি—পরিবর্তন আসে সাহসী সিদ্ধান্ত থেকে, সৎ নেতৃত্ব থেকে এবং জনগণের ঐক্য থেকে। আমি একা কিছু নই, কিন্তু আপনি + আমি + আমাদের আদর্শ = অপ্রতিরোধ্য শক্তি।
এই ভিশন কোনো একক ব্যক্তির নয়—এটি মা-বোনের নিরাপত্তার স্বপ্ন, বাবার সম্মানের স্বপ্ন, তরুণের কর্মসংস্থানের স্বপ্ন, বৃদ্ধের চিকিৎসার স্বপ্ন।
“আমরা এমন একটি ঢাকা-১৪ গড়ব, যেখানে সন্তানরা ভয় নয়—ভরসা নিয়ে বড় হবে।”
আসুন, আমরা ইতিহাসের দর্শক না হয়ে নির্মাতা হই। আসুন, আমরা অভিযোগের রাজনীতি নয়—সমাধানের রাজনীতি শুরু করি।
ইনশাআল্লাহ, ঢাকা-১৪ হবে ন্যায়, মানবিকতা ও উন্নয়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
ইশতেহার (Manifesto)
১. সমাজ উন্নয়ন
স্থানীয় সম্প্রদায়ের উন্নয়নে বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প বাস্তবায়ন
- স্বাস্থ্য সচেতনতা কার্যক্রম
- পরিবেশ সুরক্ষা প্রকল্প
- স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রম
২. শিক্ষা প্রসার
অবহেলিত শিশুদের শিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ
- বৃত্তি প্রদান
- শিক্ষা উপকরণ সহায়তা
- কোচিং সেন্টার পরিচালনা
৩. মানবাধিকার
মৌলিক মানবাধিকার সুরক্ষায় আইনি সহায়তা ও সচেতনতা
- আইনি পরামর্শ প্রদান
- সচেতনতা কর্মশালা
- অধিকার বিষয়ক প্রশিক্ষণ
৪. স্বাস্থ্য সেবা
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্য সেবা প্রদান
- চিকিৎসা শিবির
- ঔষধ বিতরণ
- স্বাস্থ্য পরীক্ষা
৫. যুব উন্নয়ন
যুবসমাজকে দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি
- ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং
- স্কিল ডেভেলপমেন্ট
- আত্মকর্মসংস্থান প্রশিক্ষণ
৬. পরিবেশ সুরক্ষা
পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যক্রম
- বৃক্ষরোপণ অভিযান
- বর্জ্য ব্যবস্থাপনা
- পরিবেশ সচেতনতা
৫টি মূল স্তম্ভ
আমাদের লক্ষ্য: নিরাপদ ও উন্নত ঢাকা-১৪
নিরাপদ এলাকা:
কিশোর গ্যাং, চাঁদাবাজি ও মাদকমুক্ত ঢাকা-১৪ গড়ার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা—কমিউনিটি পুলিশিং, স্থানীয় নজরদারি ও যুবসম্পৃক্ততা।
আধুনিক অবকাঠামো:
জলাবদ্ধতা ও যানজট নিরসনে ডিজিটাল ড্রেনেজ সিস্টেম এবং স্মার্ট ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট।
তরুণদের ভবিষ্যৎ:
আইটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, স্কিল হাব ও কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যমে তরুণদের দক্ষ করে তোলা।
জনবান্ধব প্রশাসন:
এলাকাভিত্তিক সমস্যা সমাধানে সরাসরি জনগণের সাথে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যোগাযোগ—অভিযোগ, প্রস্তাব ও ফলো-আপের স্বচ্ছ ব্যবস্থা।

কেন দাঁড়িপাল্লা?
কারণ ন্যায়বিচার কোনো স্লোগান নয় — এটি আমাদের আদর্শ, আমাদের অঙ্গীকার, আমাদের পরিচয়
দাঁড়িপাল্লা শুধু একটি প্রতীক নয়। দাঁড়িপাল্লা মানে ভারসাম্য, ন্যায়, সততা ও জবাবদিহিতা। অন্যায়ের বিপরীতে ন্যায়, জুলুমের বিপরীতে ইনসাফ, দুর্নীতির বিপরীতে স্বচ্ছতা—এই দর্শন নিয়েই দাঁড়িপাল্লার পথচলা।
এই প্রতীক আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
- ক্ষমতা হবে সেবার জন্য, শোষণের জন্য নয়
- রাজনীতি হবে আমানত, ব্যবসা নয়
- সিদ্ধান্ত হবে বিবেকের ভিত্তিতে, স্বার্থের ভিত্তিতে নয়
দাঁড়িপাল্লা মানে সেই রাজনীতি, যেখানে দুর্বলও ন্যায় পায়, যেখানে শক্তিশালীও আইনের ঊর্ধ্বে নয়। দাঁড়িপাল্লা মানে সেই সমাজের স্বপ্ন, যেখানে কোনো মা তার সন্তানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত থাকবে না, কোনো তরুণ বেকারত্বে হতাশ হবে না, কোনো বৃদ্ধ চিকিৎসার অভাবে কষ্ট পাবে না।
আমরা দাঁড়িপাল্লায় বিশ্বাস করি, কারণ আমরা বিশ্বাস করি—
“ন্যায় প্রতিষ্ঠিত না হলে শান্তি আসে না, আর শান্তি ছাড়া উন্নয়ন হয় না।”
দাঁড়িপাল্লা মানে সাহসের প্রতীক—অন্যায়ের সামনে নীরব না থাকার সাহস। দাঁড়িপাল্লা মানে আশা—একটি নতুন, পরিচ্ছন্ন, মানবিক ঢাকা-১৪ এর আশা।
আপনি যদি চান এমন একটি এলাকা, যেখানে আইন হবে সবার জন্য সমান, যেখানে নেতৃত্ব হবে জবাবদিহিমূলক, যেখানে রাজনীতি হবে মানুষের জন্য—তাহলে আপনার প্রতীক হোক দাঁড়িপাল্লা।
দাঁড়িপাল্লা মানে ন্যায়। দাঁড়িপাল্লা মানে ইনসাফ। দাঁড়িপাল্লা মানে ভবিষ্যৎ।
বিশেষ বার্তা
আপনার দেওয়া আমানত (ভোট) আমি রক্ষা করব ইনশাআল্লাহ। আমার মেধা ও অভিজ্ঞতা আমি উৎসর্গ করতে চাই আপনার সেবায়। আসুন, আমরা ব্যক্তি নয়—মেধা ও আদর্শকে জয়ী করি। আপনার সমর্থনই আমার শক্তি।
“সঠিক নেতা • সঠিক সময় • সঠিক কারণ — সাফল্যের চাবিকাঠি” একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন নেতার পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হোন—যিনি নির্ভুল সিদ্ধান্তে পরিচালিত হন, সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করেন এবং জাতির কল্যাণে মহৎ উদ্দেশ্যে পরিচালিত।
আমাদের পরিকল্পনা বিস্তারিত জানুন
